আলোকে আঁধারে: ১২. ছুটির দিন বলেই হয়ত

আলোকে আঁধারে: ১২. ছুটির দিন বলেই হয়ত

১২. ছুটির দিন বলেই হয়ত ছুটির দিন বলেই হয়ত রাস্তায় অত্যন্ত ভিড়—ওদের গাড়ি কেবলই থামছিল সামনের ভিড়ের চাপে। গাড়ি এক সময় হাওড়া ব্রীজ পার হয়ে ডাইনে স্ট্র্যান্ড রোড ধরলো। হঠাৎ কিরীটীর কথা শুনে তাকাল ওর…
আলোকে আঁধারে: ১৩. পরের দিন ভোরবেলাতেই

আলোকে আঁধারে: ১৩. পরের দিন ভোরবেলাতেই

১৩. পরের দিন ভোরবেলাতেই পরের দিন ভোরবেলাতেই কিরীটী মিত্রানীদের ওখানে গিয়ে হাজির হলো। গতরাত থেকেই তার মনে হয়েছে মিত্রানীর ঘরটা একবার তার দেখা দরকার। দোতলায় উঠতেই মাস্টারমশাই অবিনাশ ঘোষালের সঙ্গে তার দেখা হয়ে গেল। অবিনাশ…
আলোকে আঁধারে: ২২. সুহাস মিত্রকে তার অফিসে পাওয়া গেল না

আলোকে আঁধারে: ২২. সুহাস মিত্রকে তার অফিসে পাওয়া গেল না

২২. সুহাস মিত্রকে তার অফিসে পাওয়া গেল না সুহাস মিত্রকে তার অফিসে পাওয়া গেল না। সুহাস সেদিন অফিসেই আসেনি। কিরীটী আর সুব্রত তখন সোজা তার কলুটোলার বাড়িতে গেল। সুহাস বাড়িতেই ছিল। বাইরের ঘরে জানালা দরজা…
আলোকে আঁধারে: ২১. সজল চক্রবর্তী এলোই না

আলোকে আঁধারে: ২১. সজল চক্রবর্তী এলোই না

২১. সজল চক্রবর্তী এলোই না কিন্তু সে রাত্রে সজল চক্রবর্তী এলোই না। এলো পরের দিন সকাল সাড়ে-আটটা নাগাদ। সুব্রত গতরাতে বাড়ি চলে গিয়েছিল, এখনো ফেরেনি-কিরীটী চা-পানের পর ঐদিনকার সংবাদপত্রটা নিয়ে পাতা উল্টে উল্টে দেখছিল। জংলী…
আলোকে আঁধারে: ১৯. কিরীটীর ওখান থেকে বের

আলোকে আঁধারে: ১৯. কিরীটীর ওখান থেকে বের

১৯. কিরীটীর ওখান থেকে বের কিরীটীর ওখান থেকে বের হয়ে সুহাস মিত্র একটু অন্যমনস্ক হয়েই যেন বাস স্ট্যান্ডের দিকে এগুতে থাকে। মিত্রানীর কথাই সে ভাবছিল বোধ হয়, হঠাৎ বাস স্ট্যান্ডের কাছাকাছি আসতেই কাজলের ডাক শুনে…
আলোকে আঁধারে: ১৮. রবিবার সকালের দিকে

আলোকে আঁধারে: ১৮. রবিবার সকালের দিকে

১৮. রবিবার সকালের দিকে রবিবার সকালের দিকে কাজল বোস এলো। কিরীটী কাজল বোসের অপেক্ষাতেই ছিল—এবং জংলীকে বলে রেখেছিল কাজল বোস এলে যেন সে তাকে তার ঘরে পৌঁছে দেয়। জংলীর সঙ্গে কাজল বোস ঘরে ঢুকতেই কিরীটী…
আলোকে আঁধারে: ১৬. দিন দুই আর কিরীটী কোথাও বেরই হলো না

আলোকে আঁধারে: ১৬. দিন দুই আর কিরীটী কোথাও বেরই হলো না

১৬. দিন দুই আর কিরীটী কোথাও বেরই হলো না দিন দুই আর কিরীটী কোথাও বেরই হলো না। মিত্রানীর হত্যারহস্যটা যেন ক্রমশ জট পাকিয়ে পাকিয়ে জটিল হতে জটিলতর হয়ে উঠছে। সূত্রগুলো কেমন যেন এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে।…
আলোকে আঁধারে: ১৭. মিত্রানীর হত্যা-রহস্যের একটা জট

আলোকে আঁধারে: ১৭. মিত্রানীর হত্যা-রহস্যের একটা জট

১৭. মিত্রানীর হত্যা-রহস্যের একটা জট সুহাসবাবু! বলুন। মিত্রানীর হত্যা-রহস্যের একটা জট আমি কিছুতেই খুলতে পারছিলাম না— আপনার স্বীকারোক্তি সেই জটটা খুলে দিল। আচ্ছা সুহাসবাবু, একটা কথা বলুন— মিত্রানীর প্রতি সজলবাবু যে আকৃষ্ট ছিলেন সে কথাটা…
আলোকে আঁধারে: ১৫. কিরীটী পাতার পর পাতা পড়ে চলে

আলোকে আঁধারে: ১৫. কিরীটী পাতার পর পাতা পড়ে চলে

১৫. কিরীটী পাতার পর পাতা পড়ে চলে কিরীটী পাতার পর পাতা পড়ে চলে ডাইরীর। বাবা আর আমার বিয়ের কথা বলেননি। বলবেনও না জানি। বুঝি বাবা জানতে চান কোথায় আমার মন বাঁধা পড়েছে। কিন্তু কি বলবো…
আলোকে আঁধারে: ২৩. চিঠিটা আমার পড়তে বসে

আলোকে আঁধারে: ২৩. চিঠিটা আমার পড়তে বসে

২৩. চিঠিটা আমার পড়তে বসে চিঠিটা আমার পড়তে বসে চিঠির শেষে প্রেরকের নামটা যে আপনি শুরুতেই পড়ে দেখবার কৌতূহলটা দমন করতে পারবেন না সেটা আমি জানি বলেই নামটা শুরুতেই আমার জানিয়ে দিচ্ছি—আমি কিরীটী রায়। এবারে…