মোমের আলো: ১২. ভেজানো দরজাটা ঠেলেপ্রকাশিত হয়েছে : জানুয়ারি 30, 2020গল্প লিখেছেন : নীহাররঞ্জন গুপ্ত ১২. ভেজানো দরজাটা ঠেলে ভেজানো দরজাটা ঠেলে মিত্ৰাণী ঘরের মধ্যে পা দিল। কে? কাশতে কাশতেই চোখ তুলে তাকাল সুকান্ত। মিত্ৰাণী কোন কথা না বলে চায়ের কাপটা নিঃশব্দে সুকান্তর শয্যার সামনে টুলটার ওপর নামিয়ে রাখল। বিষ…
মোমের আলো: ১৩. মিত্ৰাণী পিছন ফিরে দাঁড়িয়ে আছেপ্রকাশিত হয়েছে : জানুয়ারি 30, 2020গল্প লিখেছেন : নীহাররঞ্জন গুপ্ত ১৩. মিত্ৰাণী পিছন ফিরে দাঁড়িয়ে আছে মিত্ৰাণী পিছন ফিরে দাঁড়িয়ে আছে। মাথার চুল বেণীবদ্ধ। একটা কালো সাপ যেন পিঠের উপর এলিয়ে পড়ে আছে। পরনে একটি ফিকে গোলাপী রঙের চওড়াপাড় মিলের শাড়ি। সেই শাড়ির উপর মৃদু…
মোমের আলো: ১৪. অগ্নিবর্ষী দৃষ্টি দিয়েপ্রকাশিত হয়েছে : জানুয়ারি 30, 2020গল্প লিখেছেন : নীহাররঞ্জন গুপ্ত ১৪. অগ্নিবর্ষী দৃষ্টি দিয়ে অগ্নিবর্ষী দৃষ্টি দিয়ে দু-চোখে যেন মিত্ৰাণীকে ঝলসে দিয়ে সুশান্ত মুখটা ঘুরিয়ে আবার দরজার দিকে এগিয়ে যায়। জামাইবাবু? আবার ডাকল মিত্ৰাণী। ঘুরে দাঁড়াল সুশান্ত, আমার নিমন্ত্রণ আছে বাইরে। নিমন্ত্রণ! হ্যাঁ, তুমি খেয়ে…
মোমের আলো: ১৫. বেলা এগারটা নাগাদপ্রকাশিত হয়েছে : জানুয়ারি 30, 2020গল্প লিখেছেন : নীহাররঞ্জন গুপ্ত ১৫. বেলা এগারটা নাগাদ বেলা এগারটা নাগাদ সেই যে সুশান্ত বের হয়ে গিয়েছে, এখনও ফেরেনি। রাত প্রায় এগারটা হল। রাহুল ঘুমিয়ে পড়েছে। ঘরের মধ্যে একটা মোমবাতি জ্বলছে। মিত্ৰাণী একা দাঁড়িয়ে ছিল জানালাটার সামনে বাইরের অন্ধকারের…
মোমের আলো: ১৬. লেটার-বকস্ থেকেপ্রকাশিত হয়েছে : জানুয়ারি 30, 2020গল্প লিখেছেন : নীহাররঞ্জন গুপ্ত ১৬. লেটার-বকস্ থেকে প্রিয়তোষই লেটার-বকস্ থেকে পরের দিন বিটের পিওনের সাহায্যে চিঠিটা সংগ্রহ করে এনেছিল। অবনী চিঠিটা পেয়েই কিরীটীকে ফোনে সংবাদ দিয়েছিল। একটা চিঠি পাওয়া গিয়েছে কিরীটীবাবু। কিরীটী ঐসময় কৃষ্ণার সঙ্গে বসে দাবা খেলছিল। মনটার…
মোমের আলো: ১৭. কিরীটীর মুখে উচ্চারিত শেষের কথাগুলোপ্রকাশিত হয়েছে : জানুয়ারি 30, 2020গল্প লিখেছেন : নীহাররঞ্জন গুপ্ত ১৭. কিরীটীর মুখে উচ্চারিত শেষের কথাগুলো বিশেষ করে কিরীটীর মুখে উচ্চারিত শেষের কথাগুলো মিত্ৰাণীকে যেন সত্যিই পাথর করে দেয়, সে তার প্রতিরোধক্ষমতা হারায়। কিরীটী চেয়ে আছে তখনও মিত্ৰাণীর দিকে। সে-রাত্রে কেউ তাহলে আপনার ঘরে এসেছিল।…
মোমের আলো: ১৮. ঐদিন সন্ধ্যার কিছু আগেপ্রকাশিত হয়েছে : জানুয়ারি 30, 2020গল্প লিখেছেন : নীহাররঞ্জন গুপ্ত ১৮. ঐদিন সন্ধ্যার কিছু আগে ঐদিন সন্ধ্যার কিছু আগেই ওরা বের হয়ে পড়েছিল মানিকতলা খালপারের বস্তীর উদ্দেশ্যে। বস্তীটা যেমন ঘিঞ্জি তেমনি বহু বিচিত্র লোকের বাস সেখানে। প্রায় দু-ঘণ্টা খোঁজবার পর এক ছোরার কাছে সঞ্জীব দত্তর…
মোমের আলো: ১৯. কিরীটী মৃদু হেসে বলেপ্রকাশিত হয়েছে : জানুয়ারি 30, 2020গল্প লিখেছেন : নীহাররঞ্জন গুপ্ত ১৯. কিরীটী মৃদু হেসে বলে কিরীটী মৃদু হেসে বলে, তাহলে পাকা ব্যবস্থা করেই যেতেন? হ্যাঁ। কিন্তু আপনি একটু আগে যা বললেন তা কি সত্যি? কি? মিত্ৰাণী সত্যি সত্যি আপনাকে ভালবাসে কিনা? হ্যাঁ। হ্যাঁ সঞ্জীববাবু, আমি…
মোমের আলো: ২০. কিরীটীর গলার স্বরেপ্রকাশিত হয়েছে : জানুয়ারি 30, 2020গল্প লিখেছেন : নীহাররঞ্জন গুপ্ত ২০. কিরীটীর গলার স্বরে কিরীটীর গলার স্বরে ও দরজার গায়ে ধাক্কার শব্দে সুশান্তর দুটো হাত সঙ্গে সঙ্গে মিত্ৰাণীর গলার উপর থেকে শিথিল হয়ে যায়। মিত্ৰাণীও নিজেকে ছাড়িয়ে নেয়। বৈদ্যুতিক শক খেলে যেমন মানুষ হঠাৎ স্তব্ধ…
মৃত্যুবাণ: ২.১৫ কিরীটীর ডাইরীপ্রকাশিত হয়েছে : জানুয়ারি 30, 2020গল্প লিখেছেন : নীহাররঞ্জন গুপ্ত ২.১৫ কিরীটীর ডাইরী সুব্রতর ইচ্ছা, এখানে আমার ডাইরীর কয়েকটা পৃষ্ঠা পড়ে দেখুন, তাই সে আমার ডাইরী। থেকে খুব যত্ন সহকারে নকল করে দিয়েছে। ১৩ই ফেব্রুয়ারী… কলকাতা শহরে শীতটা কি এবারে কিছুতেই যাবে না নাকি! ফেব্রুয়ারী…